নলছিটির ববিতা-জিহাদের প্রতারনা ফাঁস!!!

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কখনো জিনের বাদ্শা আবার কখনো প্রশাসনের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে প্রতারনা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। নিজে দখেতে শুনতে নায়ক দিলদারের মত হলেও সাধারন মানুষকে বোকা বানানোর জন্য সঙ্গী হিসাবে রেখেছে সুন্দরী নাইকা ববিতাকে। নলছিটি পরমপাশা গ্রামের আঃ হকের জামাতা জিহাদ বিকাশ প্রতারনা, মাদক বিক্রিসহ নানান অপকর্মে জড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাত্র ২৪ বছর বয়সে হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ । কখনও নিজেকে জিনের বাদ্শা আবার কখনও প্রশাসনের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে করছে নানান অপকর্ম। আর এই অপর্কমের যোগান দাতা হিসাবে ব্যবহার করছে ২য় স্ত্রী ববিতাকে। আর ১ম স্ত্রী রয়েছে ফরিদপুর। নাইকা ববিতার রুপের আগুনে নিঃস্ব আজ একাধীক পরিবার। আর কোটিপতি হলেন জিনের বাদশা জিহাদ। নলছিটির মা কের হোল সেলার হিসাবে রয়েছে জিহাদ। নলছিটিতে মাদকের স্বর্গরাজ্য তৈরী করছে চক্রটি। তবে স্থানীয়রা বলেন জিহাদ আলাদিনের চেরাগ পেয়ে কোটি পতি হয়েছেন। তবে নলছিটি জুড়ে রয়েছে ৩ তলা ভবন ,অসংখ্য জমিজমা সহ গড়েছে অবৈধ সম্পদের পাহাড়। তবে জিহাদের অল্প বয়সে কোটিপতি হবার অপকর্ম বরিশালের স্থানীয় দেনিক ভোরের অঙ্গীকার সহ একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে পাঠক সংবাদ দেখে। জিহাদের নানান গোপন তথ্য তেয় প্রতিবেদকে। কিছু কিন্তু এ বিষয়ে প্রশাসন নিশ্চুপ, তাদের চোখের সামনেই মাদক বিক্রিসহ নানান অপকর্ম করে ঘুরে বেড়াচ্ছে জিহাদ। অভিযোগের ভিক্তিতে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে জিহাদের অপকর্মের চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা হয় ভূক্তভূগির সাথে। (ছদ্দনাম) মামুন বলেন, জিহাদের বাড়ি ফরিদপুর জেলায়। সে ঢাকা উওরা ৬নং সেক্টরে একটি মোবাইল বিকাশ এর দোকান দেয়। আমি বিদেশ যাব বলে বাড়ি থেকে বিকাশে টাকা আনি। এর আগে ও অনেক বার জিহাদের দোকান থেকে বিকাশে টাকা এনেছি। দোকানে তখন বসতো ববিতা নামে একটি মেয়ে। পরে ববিতা আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমার কাছ থেকে ১লক্ষ ৭৮হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২০১৪ সালে নভেম্বর মাসে জিহাদ ববিতা ও তাদের সহযোগী সুলতান মোবাইল ফোনে জিনের বাদ্শা সেজে আমার কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা টাকা হাতিয়ে নেয় । কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানতে পারি এটা তাদের ব্যবসা । আর ববিতা হচ্ছে জিহাদের স্ত্রী। তবে বিষয়টি নিয়ে আমি থানায় যেতে চাইলে ববিতা ও জিহাদ আমাকে টাকা ফেরত দিবে বলে অঙ্গীকার করে। কিন্তু পরে জানতে পারি জিহাদ ও ববিতা তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশাল নলছিটিতে চলে গেছে। বর্তমানে আমি বিদেশে কর্মরত আছি । তবে এই প্রতারনার স্বিকার মামুন একা না । এদিকে (ছদ্দনাম) কোব্বাত আলীর কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা প্রতারনা করে হাতিয়ে নেয় জিহাদ। তবে পরে কোব্বাত আলী প্রতারনা বুঝতে পেরে আইনের মাধ্যমে জিহাদকে খুঁজে বের করে। পরে জিহাদ নিজেকে বাঁচাতে প্রশাসনের এক সদস্যর মাধ্যমে টাকা ফেরত দিয়ে দেয়। এদিকে শুধু জিনের বাদ্শা না জিহাদের বিরুদ্ধে রয়েছে চুরি, মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ। একটি সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন বিএনপি’র নাশকতা হামলায় ও হরতালে অর্থ যোগান দাতা হিসেবে কাজ করতেন জিহাদ। তবে এ বিষয়ে মুঠোফোনে জিহাদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন তার স্ত্রীকে দিয়ে রিসিভ করায়। তার স্ত্রী ববিতা বলেন, আমাদের নামে সকল অভিযোগ মিথ্যা । আমি কাউরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারনা করে টাকা নেই নি । আপনি নিউজ করবেন না। আপনি কোথায় থাকেন আমি আপনার সাথে দেখা করবো। এদিকে একটি সূত্রে জানা যায়, জিহাদের বিরুদ্ধে নলছিটি থানাসহ বিভিন্ন থানায় নানান অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। নলছিটিতে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হলেন জিহাদ??? এমনটি প্রশ্ন সবার মাঝে। এবিষয় নলছিটিবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কামনা করছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বরিশালে সবজি ও চালের বাজারে আগুন

আল অমিন গাজী ॥ যতই দিন যায় সবজি ও চালের বাজারে দ্বী গুন দাম বৃদ্ধি পায়। গত কয়েক সপ্তাহে সবজি ...

Translate »
shares