প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!!!!!যোগাযোগের ঠিকানা: মোবাইল: ০১৭১২-৮৪ ০৯ ৪২, ০১৭৩৯- ৮৪ ৬১ ১৪ !!!!!!! ই-মেইল: shadhinkantho24@gmail.com

সিটিজেন জার্নালিজমের ইতিকথা - || স্বাধীনকন্ঠ২৪.কম ||

সিটিজেন জার্নালিজমের ইতিকথা

সাম্প্রতিক সময়ে সিটিজেন জার্নালিজম নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। সবথেকে বেশি আলোচনা হচ্ছে সিটিজেন জার্নালিস্ট শব্দটিকে কেন্দ্র করে। কখনোবা মূল ধারার গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে সিটিজেন জার্নালিস্টদের তুলনা করা হচ্ছে ফলে কখনোবা সাঙ্ঘর্ষিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। তাই এই বিষয়ে বিশদ কিছু আলোচনা করার পূর্বে জেনে দরকার সিটিজেন জার্নালিজম বা সিটিজেন জার্নালিস্ট কি? এদের কাজ কি ? মূল ধারার গনমাধ্যমের সাথে সাদৃশ্য কিংবা পার্থক্য রয়েছে কতটা। একে অন্যের পরিপূরক নাকি বিপরীতমুখী সম্পর্ক।
চলুন জেনে নেয়া যাক সাধারন কিছু তথ্যাবলীঃ

সিটিজেন জার্নালিজমের উদ্ভব ও বিকাশঃ নব্বই’র দশকে ইন্টারনেট ভিত্তিক world wide web এর আর্বিভাবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উদ্ভব। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি’র ছাত্র ক্রিস অ্যান্ডারন্স বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সিয়াটলে গৃহীত বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৯৯৯ সালে ‘ইন্ডিমিডিয়া’ (Indy media) নামে জন-সাংবাদিকতার (সিটিজেন জার্নালিজম) প্রথম স্বীকৃত প্লাটফরম প্রতিষ্ঠা করেন।

বহুল ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন গুগলের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক ২০০৪ সালে, টুইটার ২০০৬ সালে এবং অ্যাপলে-আই ফোন ২০০৭ সালে। এদের আর্বিভাব এবং উদ্ভাবন জন-সাংবাদিকতার ধারণা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একইসাথে সহজ প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্টফোনের আর্বিভাব জন-সাংবাদিকতা অগ্রযাত্রাকে আরো ত্বরান্বিত করছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ, ছবি, ভিডিও ধারণ ও আপলোড করার সুবিধা জন-সাংবাদিকতা আরও সহজতর করেছে।
সিটিজেন জার্নালিজম কি? যদি প্রশ্ন করা হয় সিটিজেন জার্নালিজম কী অর্থ্যাৎ এর সংজ্ঞায়ন কিভাবে করা হবে, তবে সহজ কথায় এরকম বলা যায়-

স্বতস্ফূর্ত ও স্বপ্রণোদিত হয়ে গণমানুষের বা আম-জনগণের খবর ও তথ্য সংগ্রহ, পরিবেশন, বিশ্লেষণ এবং প্রচারে অংশগ্রহণ হচ্ছে সিটিজেন জার্নালিজম বা নাগরিক সাংবাদিকতা।

এ জাতীয় সাংবাদিকতায় প্রাতিষ্ঠানিক কোনো স্বীকৃতি, পরিচয় এবং প্রশিক্ষণ ছাড়াই আধুনিক প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে সাধারণ জনগণ নিজেরা বা অন্যের সহায়তায় তথ্যের আদান প্রদান করে থাকে।

জন-সাংবাদিকতার ধারণায় মূল ধারার গণমাধ্যমে যারা পাঠক, দর্শক ও শ্রোতা হিসেবে বিবেচিত হন তারাই মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরস্পরের তথ্য-উপাত্ত আদান প্রদান করে থাকেন।

এ প্রেক্ষিতে Authors Bowma ও Willis এর বক্তব্য হচ্ছে-

The intent of this participation is to provide independent, reliable, accurate, wide-ranging and relevant information that a democracy requires.

এই অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাধীন, বিশ্বাসযোগ্য, সঠিক, বিস্তৃত পরিসরের এবং যথাযথ সম্পর্কযুক্ত তথ্য প্রদান যা গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয়।

সিটিজেন জার্নালিজমের বিভিন্ন রুপঃ সিটিজেন জার্নালিজম শব্দটিই বেশি প্রচলিত, তবে বিভিন্ন সময়ে এর ভিন্ন নামকরণও ঘটেছে। যেমন –

স্ট্রিট জার্নালিজম
পাবলিক জার্নালিজম
ডেমোক্রেটিক জার্নালিজম
পারটিসিপেটরি জার্নালিজম
বিভিন্ন নামে জন-সাংবাদিকতা
প্রান্তীক সাংবাদিকতা (Grassroots Journalism)
নেটওয়ার্ক সাংবাদিকতা (Network Journalism)
ওপেন সোর্স সাংবাদিকতা (Open Source Journalism)
জন-মাধ্যম (Citizen Journalism)
অংশগ্রহণমূলক সাংবাদিকতা (Participatory Journalism)
হাইপার লোকাল সাংবাদিকতা (Hyper local Journalism)
বটম-আপ সাংবাদিকতা (Bottom-up Journalism)
স্ট্যান্ড অ্যালন সাংবাদিকতা (Stand alone Journalism)
ডিস্ট্রিবিউটেড সাংবাদিকতা (Distributed Journalism)
সিটিজেন জার্নালিজমের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্কও রয়েছে এবং এখানে সিটিজেন জার্নালিজমকে অবশ্যই তুলনা করা হচ্ছে পেশাদারি সাংবাদিকতার সাথে।

ডেভিড সাইমন বলেছেন,

সখের বশে লেখালেখি করা আনপেইড ব্লগারদের পক্ষে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, পেশাদার, ঝানু সাংবাদিকদের জায়গা দখল করা সম্ভব নয়।

এরকম মনোভাব পোষনকারীর সংখ্যা কম নয়। ফলে বিষয়টি নিশ্চয়ই সিটিজেন জার্নালিজম চর্চাকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে তুলেছে। তথাপি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর পরিধি যত বেড়েছে, সিটিজেন জার্নালিজম ততো জোরেসোরে উচ্চারিত ।

এখানে একটি বিশেষ দ্রষ্টব্য -ও পাওয়া যায়; কমিউনিটি জার্নালিজম বা সিভিক জার্নালিজমের সাথে সিটিজেন জার্নালিজমকে গুলিয়ে ফেলার অবকাশ নেই। কারণ কমিউনিটি জার্নালিজম চর্চিত হয় পেশাদার সাংবাদিক কর্তৃক অথবা যৌথ উদ্যোগে – পেশাদার ও অপেশাদার সাংবাদিকদের দ্বারা। এক্ষেত্রে সিটিজেন জার্নালিজম হচ্ছে সিটিজেন মিডিয়ার অন্তর্ভূক্ত যেখানে সাধারণ ব্যবহারকারী (দর্শক, পাঠক) কর্তৃক কর্তৃক এর কনটেন্ট সরবরাহ হয়।

সিটিজেন জার্নালিজম এবং সিটিজেন জার্নালিস্ট কি একই?

সিটিজেন জার্নালিজমের মাধ্যমে একজন সচেতন নাগরিক তার নিজের জ্ঞান ও সৃজনশীলতা সমাজের প্রয়োজনে নিয়োজিত করতে পারেন। আর তাই, সাংবাদিকতার কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যতিরেকে অনলাইন ভিত্তিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যখন কেউ তার চারপাশের ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা, বিষয় সম্পর্কে নিজস্ব মতামত কিংবা সঠিক তথ্য-উপাত্ত লেখনী, তথ্যচিত্র, ইনফোগ্রাফিক্স, ক্ষুদেবার্তা, অডিও, ভিডিও বা অন্য কোনো ভাবে জনস্বার্থে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসমূহে প্রচার বা প্রকাশ করে, তাহলে তাকে জনসাংবাদিকতা বলা যেতে পারে।

অপরদিকে বলা যায় যারা এইসকল কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকেন তাদেরকে সিটিজেন জার্নালিস্ট বা নাগরিক সাংবাদিক বলে আখ্যা দেয়া যায়।

সিটিজেন জার্নালিজম করতে কি পরিচয় পত্রের দরকার হয়? সিটিজেন জার্নালিজমের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির পরিচয় পত্রের প্রয়োজন কখনই দরকার পরবেনা যেহেতু এটা প্রাতিষ্ঠানিক কোন পেশা নয়। সিটিজেন জার্নানিজম সচেতন নাগরিকদের নিয়ে মুক্ত একটি চিন্তাধারা। গনমানুষের প্ল্যাটফর্ম বলে এখানে পরিচয়ের কোন প্রয়োজন পরে না।

সিটিজেন জার্নালিজমের বৈশিষ্ট্যঃ

#প্রত্যেকেরই সাংবাদিক হিসেবে ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে
#স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্যণীয়
#প্রকাশিত অডিও, ভিডিও এবং প্রতিবেদন সম্পর্কে আগ্রহী যে কারো মতামত প্রদানের #সুযোগ থাকে
#যে কেউ মন্তব্য, বিতর্ক বা আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারে
#সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রবল থাকে
#বিবেকপ্রষূত শুভবুদ্ধি জন-সাংবাদিকতার নৈতিকতার একমাত্র মাপকাঠি

বাংলাদেশে সিটিজেন জার্নালিজমঃ ২০০৫ সালে ‘সামহোয়ারইনব্লগ’ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ শিরোনামে বাংলাদেশে জন-সাংবাদিকতার সূচনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘মুক্তমনা’সহ আরো অনেক জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ব্লগ এর আর্বিভাব হয়েছে। এছাড়া মূল ধারার গণমাধ্যম ‘বিডিনিউজ২৪.কম’সহ অনেকেই এখন পাঠকের মতামতকে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরার লক্ষ্যে সিটিজেন জার্নালিজম কর্নার চালু করেছে। পাশাপাশি ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তরুণ প্রজন্মের পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করায় জন-সাংবাদিকতা বিস্তারের অবারিত সুযোগ রয়েছে।

যদি সাম্প্রতিক কথা বলতে যাই তাহলে উদাহরন হিসাবে বলা যেতে পারে বরিশাল জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত ফেসবুক গ্রুপ বরিশাল সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং বরগুনা জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত ফেসবুক গ্রুপ সিটিজেন ভয়েস অফ বরগুনার কথা, যা সিটিজেন জার্নালিজমকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে একেবারে লাইমলাইটে। গনমানুষের অংশগ্রহন নিশ্চিত করে গনমানুষের সমস্যা সমাধানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে এই দুটো গ্রুপ।

সিটিজেন জার্নালিজমের ইতিবাচক দিকঃ
সম্পূর্ণ বিকল্প একটি মাধ্যম, যা বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের মতামত প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি কর গণতন্ত্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সাহায্য করবে
প্রাকৃতিক বা মানব সৃষ্ট যে কোনো দৃর্যোগ-দুর্বিপাকে প্রত্যক্ষদর্শীর মতামত ও বর্ণনা প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে
এলিট বা সমাজের প্রভাবশালীদের প্রভাব থেকে মুক্ত
সমাজের প্রান্তীক জনগোষ্ঠীর মূখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ
মূলধারার গণমাধ্যমে অপ্রকাশিত বা গুরুত্বহীন বলে বিবেচিত বিষয় এখানে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে
বহুজাতিক কোম্পানি ও সরকারের প্রভাবমুক্ত
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ
নির্দিষ্ট কোনো ভৌগলিক সীমানার মধ্যে আটকে না থেকে একজন বিশ্ব নাগরিক হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়
অংশগ্রহণমূলক সাংস্কৃতিক ভাবধারার বিকাশ
সার্বজনীন কল্যাণে ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি করে

সিটিজেন জার্নালিজমের নেতিবাচক দিকঃ
ধর্মান্ধ, উগ্রপন্থী বা সন্ত্রাসীদের কার্যকলাপ প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার সুযোগ রয়েছে
প্রচলিত মূলধারার গণমাধ্যমের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হতে পারে
বিষয়াশ্রিত এবং স্বার্থের দ্বন্দ্ব প্রভৃতি প্রকট হয়ে উঠতে পারে
অধিকাংশ ক্ষেত্রে জন-সাংবাদিকতা ‘সফট নিউজ’ বা ফিচারধর্মী লেখা প্রচারের প্রবণতা লক্ষ্যণীয়

জন-সাংবাদিকতায় নীতি নৈতিকতা
মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কোনো তথ্য-উপাত্তের প্রচার ও প্রকাশ থেকে বিরত থাকা
জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে প্রত্যেকের নিজস্ব বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা
ইচ্ছাকৃত বা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জন-গুরুত্বপূর্ণ নয় এবং ব্যক্তির মর্যাদাহানীকর কোনো বিষয়ের প্রকাশ ও প্রচার থেকে বিরত থাকা
নিজের বিবেকের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করা

জার্নালিজম ও সিটিজেন জার্নালিজমের পার্থক্যঃ

জার্নালিজম ও সিটিজেন জার্নালিজম আপাত অর্থে শুনতে এক মনে হলেও এদের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন পার্থক্য।

#সিটিজেন জার্নালিজম প্রাতিষ্ঠানিক নয়, তবে জার্নালিজম প্রাতিষ্ঠানিক

#সিটিজেন জার্নালিজমের সাথে সংশ্লিষ্টরা কোন প্রকার বেতন ভাতা ছাড়াই কাজ করেন কিন্তু জার্নালিজমের সাথে সংযুক্তরা নির্দিষ্ট বেতন ভাতা পান।

#সিটিজেন জার্নালিজম কোন স্বিকৃত কোন পেশা নয়, জার্নালিজম প্রতিষ্ঠিত একটি পেশা

#জার্নালিজমের জন্য প্রশিক্ষনের প্রয়োজন পরে, তবে সিটিজেন জার্নালিজম যে কেউ প্রশিক্ষন ছাড়াই করতে পারে।

শেষকথাঃ বলা হয় বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ নিয়েছে আবেগ। প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এর ক্ষতিকর প্রভাব সমাজে বিস্তার লাভ করছে। তাই প্রযুক্তি ব্যবহার হোক সত্য ও সুন্দরের পক্ষে। সুন্দর সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় হোক সবার, চিরজীবি হোক বাংলাদেশ।

লেখকঃ আকিব মাহমুদ
সাব এডিটর,বাংলার বাণী ২৪.কম

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া, বিভিন্ন ব্লগ ও ওয়েবসাইট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

PopAds.net - The Best Popunder Adnetwork
x

Check Also

স্বপ্নের সেতু ও শেখ হাসিনা

মাহমুদুল বাসার ফুটপাতে ফুলে গল্প শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রত্যয়ের সঙ্গে পদ্ধাসেতু নির্মাণের সাফল্য ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। বার বার তিনি মৃত্যুর ...

Translate »
shares